পদ্মা সেতুর নিচের তলা দিয়ে চলা ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথ চালু হওয়ার পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থায় এসেছে বড় পরিবর্তন। ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথটি ঢাকার কমলাপুর থেকে শুরু হয়ে মাওয়া হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত বিস্তৃত।

যাত্রার সময়

আগে যেখানে সড়কপথে ঢাকা থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে পৌঁছাতে ১০-১২ ঘণ্টা লাগত, এখন রেলপথে এই দূরত্ব আড়াই থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টায় অতিক্রম করা যায়। ট্রেন থেকে যাত্রীরা একই সঙ্গে পদ্মা নদী ও সেতু দেখার সুযোগ পান — যা ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

স্টেশন ও সেবা

মাওয়া রেল স্টেশনটি এই রুটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। এখান থেকে যাত্রীরা মাওয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সহজে যাতায়াত করতে পারেন। স্টেশনে আধুনিক সুবিধা যেমন প্রতীক্ষালয়, টিকেট কাউন্টার, পার্কিং সুবিধা — এসব উপলভ্য।

সম্পূর্ণ লাইন চালু হলে

সম্পূর্ণ ঢাকা-যশোর রেলপথের দৈর্ঘ্য ১৬৯ কিলোমিটার। সম্পূর্ণ লাইন চালু হলে যশোর, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সংযোগ আরও দ্রুত হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে এশীয় রেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনাও — যার ফলে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও পর্যটনে আসবে নতুন মাত্রা।